স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ই-জিপি

১৩ জুন, ২০২৩ ১৫:৩২  

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সরকার একদিকে অর্থ সাশ্রয় ও সময় বাঁচানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ কমাতে কাজ করছে, যাতে অর্থের প্রকৃত মূল্য অর্জন সম্ভব হবে।

এলক্ষ্য নিয়ে ২০১১ সালে ইলেক্ট্রনিক গর্ভমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ইজিপি পোর্টাল চালু করা হয় যার ব্যবহার দ্রুত বেড়ে চলেছে। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে ই-জিপি বাস্তবায়ন করছে যা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) মাগুরায় অনুষ্ঠিত গভর্নমেন্ট এন্ড টেন্ডারার্স ফোরাম (জিটিএফ) এর দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)-এর অধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ)-এর পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মোঃ আকনুর রহমান।

জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় সিপিটিইউর ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্টের (ডিআইএমএপিপি) আওতায় বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি) কর্মশালার ব্যবস্থাপনা করেছে।

ডা: জিনাত সুলতানা, প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, বিসিসিপি স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং কর্মশালায় জিটিএফ-এর উপর একটি উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠানে জেলার জিটিএফ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। বিসিসিপি‘র প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ আব্দুস সালাম অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

ই-জিপি বাস্তবায়নে জিটিএফ-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মোঃ আকনুর রহমান বলেন, ক্রয়কাজে কোন সমস্যার মুখে পরলে ক্রয়কারি ও ঠিকাদারগণ পরস্পরের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সেসব দূর করে উন্নয়ন কাজকে বেগবান করবে।

এক দশকে ই-জিপি’র অগ্রগতি চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ই-জিপিতে আহ্বানকৃত দরপত্রের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ছাড়িয়েছে এবং প্রায় ১০৬,১৯০ এর অধিক দরদাতা ই-জিপিতে নিবন্ধিত হয়েছেন। ১,৪৩৭ টি সরকারি ক্রয়কারী সংস্থা ই-জিপিতে নিবন্ধিত হয়েছে।

মাগুরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ বলেন, জিটিএফ সরকারি ক্রয়কারি এবং দরদাতাদের একটি সমন্বিত প্লাটফর্ম যা সরকারি ক্রয় বিষয়ক নানান দিক নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধানতম কাজকে তরান্বিত করছে।

সরকারের অন্যতম একটি অগ্রাধিকার ক্রয়কাজে ই-জিপি’র ব্যবহার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইজিপি’র ফলে অনেক বাড়তি কাজ কমে গেছে কারণ সরকারি ক্রয়কাজকে জনগণের কাছে সহজলভ্য করা ও দ্রুততার সাথে পৌঁছে দেয়ার জন্য এই সেবা ডিজিটাইজ করা হয়েছে।